বিশৃংখলা হলে সেনাবাহিনী বসে থাকবে না :খালেদা জিয়া (bdnews25.wapamp.com/Dhaka)
++সারা দেশ অচল
করে দেবো +
+আগে বলতাম নিরপেক্ষ
নির্বাচন চাই, এখন
বলছি পদত্যাগ
করতে হবে ++পৃথিবীর যেখানেই যাবেন
আমরা খুঁজে বের
করে বিচার করবো আনোয়ার আলদীন, বগুড়া থেকে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতেশান্তিরক্ষার
প্রয়োজনেসেনাবাহিনীর
ভূমিকা প্রত্যাশা করলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বললেন, 'আমাদের সেনাবাহিনীবিদেশেশান্তিরক্ষায়
কাজ করে। দেশেকোনোবিশৃঙ্খলাহলেতারাবসেথাকবেনা।
তারা সময়মতো দায়িত্ব পালন করবে।' গতকাল রবিবার সকালে বগুড়ার মাটিডালী মোড়ে এক শোক
সমাবেশেখালেদাজিয়াএসব
কথা বলেন। গতকাল বগুড়া ও জয়পুরহাটের
পাঁচবিবিতেতিনটিশোক
সমাবেশ-পথসভায়
খালেদাজিয়াঅবিলম্বেসরকারের
পদত্যাগ
দাবি করে বলেন, 'আর চোখের
পানি ফেলবো না, এবার প্রতিরোধ গড়ে তুলবো, সারা দেশ অচল করে দেবো। আগামীকাল (আজ) ঘোষণাআসবেকর্মসূচির।
আগে বলতাম নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই, এখন বলছি পদত্যাগ করতে হবে।' সরকারকে বিদায় করতে চূড়ান্ত আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়ে জনগণের উদ্দেশেখালেদাজিয়াবলেন,
'আগে একবার আপনাদের ঢাকায়
যেতে বলেছিলাম। তখন সরকার ভয় পেয়ে হোটেল, রাস্তাঘাট, যানবাহন সব বন্ধ করে দিয়েছিলো। আবার ঢাকায় যেতে হতে পারে। এবার সরকারকে বিদায় করে তারপর ফিরবেন। এ কর্মসূচিতে বাধা দিলে, গুলিচালালেপরিণতিহবেভয়াবহ।
রক্ত দিয়েছেন, প্রয়োজনে রক্ত আরো দিবেন। তবে আমরা রক্ত চাই না।' প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করেখালেদাজিয়াবলেন,
'দুর্নীতি-গণহত্যা-
বিডিআর হত্যার খতিয়ান আমাদের কাছে আছে। ভেবেছেন পালিয়ে যাবেন? পৃথিবীর কোথায় যাবেন? যেখানেই যাবেন আমরা খুঁজে বের করবো। বিচার করবো। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।' গতকাল সকাল পৌনে ১১টায় বগুড়ায় মাটিডালীমোড়েপুলিশের
গুলিতে নিহতদের স্মরণে শোক সমাবেশ মঞ্চে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে এক লাখ টাকা করে তুলে দেন খালেদা জিয়া। আহতদেরও আর্থিক সহায়তা দেন। এখানে বক্তব্য দেয়ার পর তিনি যান পাঁচবিবি।
সেখানে নিহতদের পরিবারগুলোকে অনুরূপ আর্থিক
সহায়তাশেষেবক্তৃতাকরেন
খালেদা জিয়া। পরে তিনি ফিরে আসেন বগুড়া সার্কিট হাউজে। এখানে বিশ্রাম শেষে গাবতলীর সোনারায়ের
বামুনিয়া পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও রামেশ্বরপুরে গণহত্যার শিকার একজনের বাড়িতেগিয়েপরিবারের
সদস্যদের
সমবদেনা জানান তিনি।
পরে শাহজাহানপুরের শোক
সমাবেশেবক্তৃতাদিয়েরাতেঢাকার
উদ্দেশে রওনা হন বেগম জিয়া। প্রসঙ্গত মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের
নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে গত ৩ মার্চ জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালে পুলিশের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সহিংস সংঘর্ষে গুলিতে বগুড়ায় ১৩ জন ও জয়পুরহাটে ৬ জন নিহত হয়। এ হত্যার প্রতিবাদ জানাতে ও শোকার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গত শনিবার রাতেই বগুড়ায় পৌঁছান বেগম খালেদা জিয়া। রাত্রি যাপন করেন সার্কিট হাউজে। সমাবেশগুলোতেমানুষের
ঢল নামে। কালো ব্যাজ ধারণ করে আসেন বেশিরভাগ মানুষ। অনেকের হাতে ছিল কালো পতাকা। বগুড়া থেকে পাঁচবিবির দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে ছিল নারী- পুরুষের ভিড়। বিএনপির
ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বগুড়ায় খালেদা জিয়ার এবারের সফর ছিলো অন্য রকম। মানুষের
ভিতরে ছিলো শোকের আবহ। বেগম জিয়ার নিষেধের
কারণে কোনো আলোক সজ্জা ছিলো না। পুষ্প বৃষ্টি ছিলো না। নেতাদের অনেকের পরনে ছিলো শোকের কালো পোশাক। খালেদাজিয়ামাটিডালীর
শোক সমাবেশে বলেন, জেলখানায় জায়গা নেই, বিএনপি, জামায়াতের নেতাদের
ডাণ্ডাবেড়িপরানোহচ্ছে,
এই ডাণ্ডাবেড়ি একদিন আপনাদের পড়তে হবে। গত ৩ মার্চ বগুড়ায় আইন-
শৃঙ্খলানিয়ন্ত্রণেদায়িত্ব
পালনেসেনাবাহিনীকেঅভিনন্দন
জানিয়ে খালেদা বলেন, 'তারা জনগণের ক্ষতি করেনি। তারা সময়মত তাদের দায়িত্ব পালন করবে। আমাদের দেশের সেনাবাহিনী বিভিন্ন দেশেশান্তিরক্ষামিশনেযায়।
যে দেশে শান্তি নাই সে দেশের সেনাবাহিনীবিদেশেশান্তিরক্ষায়
কিভাবে কাজ করবে।' খালেদা জিয়া বলেন, আমরা আজ এখানেএসেছিশোকাহতদের
সমবেদনা জানাতে। এই সরকারের
পেটোয়াবাহিনীনৃশংসভাবেএখানেমানুষ
হত্যা করেছে। তারা ১৭০ জনকে গুলি করে মেরেছে। এই গণহত্যার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। সরকারের বিচার হবে। খালেদা জিয়া বলেন, সরকার শেয়ার বাজার লুট করেছে, হলমার্ক ডেসটিনির
মাধ্যমে ব্যাংকের টাকা লুট করেছে, তারাওয়াদাকরেছিলোপদ্মাসেতু
করবে, কিন্তু সেতুর আগেই দুর্নীতি করেছে, আমরা কিছুই জানতাম না। বিশ্বব্যাংক এই চোরদের
ধরে ফেলেছে। এতে সরকারের এক নম্বর থেকে শুরু করে অনেক মন্ত্রী জড়িত। বিশ্ব ব্যাংক বলেছে, অপরাধীদের
ধরতে হবে। শাস্তি দিতে হবে। না হলে টাকা দেবে না। সরকার ধরেনি। কারণ ধরলেই আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। আইএমএফ, এডিবি, জাইকা—সব বলেসংস্থাটাকাদেবেনাজানিয়েদিয়েছে। ফলে পদ্মা সেতু করতে পারবে না। তবে যাওয়ার আগে তারা একটা পাথর বসিয়ে যাবে। বেগম
খালেদা জিয়া উপস্থিত যুবকদের উদ্দেশে বলেন, '৭২ থেকে '৭৫ পর্যন্ত তাদের কুকীর্তির অনেক বই আছে। এগুলো তোমাদের পড়া দরকার। এরা বেঈমান, হত্যাকারী, লুটেরা, রক্তচোষা, এরা দেশ বিক্রি করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকার দুর্নীতি, মিথ্যাচার,
কেলেঙ্কারি ঢাকার জন্য একটার পর একটা ঘটনা ঘটাচ্ছে। চট্টগ্রামে নিরীহ বৌদ্ধদের মন্দির ভাঙচুর করেছে, লুটপাট করেছে। মানিকগঞ্জের
মওলানা নাসির উদ্দিনকে পুলিশ অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলিকরেহত্যার বর্ণনাদিয়েখালেদাজিয়াবলেন,
'কী অপরাধ ছিলো তার,
মুখে দাড়ি আর মাথায় টুপি দেওয়াই কী তার অপরাধ। ঘরের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মেয়েকেনিয়েহাসপাতালেযাচ্ছিলেন
তিনি। হাসপাতালের পথে গাড়ির মধ্যেগুলিকরেহত্যাকরাহয়
তাকে। এই সরকার দাড়িওয়ালা,
টুপিওয়ালা দেখলে সহ্য করতে পারে না। তাদের উপর আক্রমণ করে। বিশ্বজিেক
তারাকুপিয়েকুপিয়েহত্যাকরেছে।
মুন্সিগঞ্জেতারাপ্রতিমাভাঙচুর
করেছে,
আমি সেখানে গিয়েছি, প্রতিমা গড়তে টাকা দিয়েছি।' আওয়ামী লীগ মারতে পারে, ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু গড়তে পারে না। গোপালগঞ্জেও
তারা বোমামেরেমানুষ হত্যা করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি এবং জামায়াত করলেই তাদের ধরে জেলখানায় ঢোকানো হচ্ছে। পুলিশ
বাহিনীকে আমি দোষ দিবো না, তাদের উপর যা নির্দেশ আসে, তাই তারা করে। তিনি বলেন, আজীবন ক্ষমতায়
থাকতে তারা সংবিধান পরিবর্তন করেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছে। আমরা বলেছি, কোনো দলীয় সরকারের
অধীনে নির্বাচন হবে না। এতোদিন বলেছি নিরপেক্ষ সরকার চাই। এখন বলছি সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। আন্দোলন আরোজোরেশোরেকরতেহবে।
আন্দোলনে এদের বিদায় দিতে হবে। খালেদা জিয়া বলেন, (রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে) তিনদিনের শোক দিবস ছিলো।
কিভাবেঅফিসেছুটিদিতেহয়
তা এরা (সরকার) জানে না। বৃহস্পতিবার সবাই অফিসে কাজ করেছে। তারপর ছুটি দিয়েছে অপদার্থ সরকার। শোক দিবসে আমাদের মহেশপুরের যুবদল নেতাকে তারা হত্যা করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, 'আর্মির ৫৭ জন চৌকস অফিসারকেতারাহত্যাকরেছে।
একজন অফিসারের ছেলেবিবৃতিদিয়েছেপ্রধানমন্ত্রীএ
হত্যাকাণ্ডের
কথা জানতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীব্যবস্থানেননি।
আপনারা যত চেষ্টাই করেন লাভ হবে না বিচার একদিন হবেই।' খালেদা জিয়া পুলিশের উদ্দেশে বলেন, আপনারা সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করবেন না। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকেধন্যবাদ।
তারা জনগণের ক্ষতি করেনি। তারা সময়মতো তাদের দায়িত্ব পালন করবে। খালেদা জিয়া বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই। সরকার যা আদেশ করে তাই রায় দেয়া হয়। কাকেকতটাশাস্তিদেয়াহবে,
কাকে একদিন রিমান্ডেনেয়াহবেতাসরকার
বলে দেয়। পাঁচবিবির বিশাল শোক
সমাবেশেখালেদাজিয়াবলেন,
আজকেআমিএখানেএসেছিঅনেক
কষ্ট নিয়ে, শোক নিয়ে।
এখানে আমরা শোক সমাবেশ করছি, জনসভা নয়। তিনি বলেন, এই সরকারের হাতে শুধু রক্ত আর রক্ত। তাদের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। সরকারের সময় শেষ। আরেকটু
জোরেধাক্কাদিলেপড়েযাবে।
এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এলাকাবাসীর
উদ্দেশে তিনি বলেন, এই
গ্রামেযাদেরকেহত্যাকরাহয়েছেতারাকোনোদল
করে না। এরা সাধারণ মানুষ। খুন করে এদের পোস্টমর্টেম
করা হয়নি, যাতে রেকর্ড না থাকে। কিন্তু রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। ১৫ দিনে ১৭০ জনকে হত্যা করেছে এরা। আন্তর্জাতিকভাবেবলাহচ্ছেগণহত্যা।
এই গণহত্যার জন্য ট্রাইব্যুনাল
করে বিচার করা হবে। পদ্মাসেতুতেদুর্নীতিনিয়েবগুড়ার
সভার মতো এখানেও প্রায় একই রকম সমালোচনা করেন খালেদা জিয়া। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন,
সীমান্তরক্ষীরাঠিকমতোদায়িত্ব
পালন করতে পারে না। আমাদের ছোট মেয়েফেলানীকেনৃশংসভাবেহত্যাকরেবাঁদুরের
মতোঝুলিয়েরেখেছিলো।
এই
বোবাসরকারেপ্রতিবাদ
করতে পারে না। অথচ বডার গার্ড নামিয়ে মানুষ হত্যা করে। তিনি বলেন, আমরা কম হরতাল করেছি। আমাদের সরকারের সময় তারা ১৭৩ দিন হরতাল করেছে।
আমরা তোহরতালেমানুষ গুলি করে মারি নাই। তিনি বলেন, কত বড় অত্যাচারী এই সরকার। তারা ১৮ দলের নেতাদের
ডান্ডা বেড়ি পরিয়েছে। এই ডান্ডা বেড়ির জন্য জবাব দিতে হবে। আপনাদের লোকদেরও এই
ডান্ডা বেড়ি পরতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আর পাকিস্তানের
মধ্যে পার্থক্য নেই। তারাবলেতারানাকিমুক্তিযুদ্ধ
করেছে। তারা যুদ্ধ করেনি।
ওপারেযেয়েফুর্তিকরেছে।
যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে শহীদ জিয়া। আওয়ামী সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেনৌকাডুবতেবসেছেএই
নৌকা ছেড়ে আসুন ধানের শীষে দেখবেন আমরা সুখ শান্তি উন্নয়ন দিবো। খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসের সামনের সমাবেশেবোমাগুলিমেরেসমাবেশ
পন্ড এবং নেতাদের আহত করার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, নজরুল ইসলাম খানের পিঠে এখনো ৫৮ ছররা গুলি। অনেকেই হাসপাতালে আছেন। পার্টি অফিসের তালা ভেঙ্গে পুলিশ কিভাবে নেতাদের অসম্মান
করে গুলি করেছে। মাটিডালিতেবগুড়াজেলাবিএনপির
সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের
সভাপতিত্বেশোকসমাবেশেআরোবক্তৃতাকরেন
বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, জামায়াতের অধ্যাপক শামসুল আলম এমপি, জেলা আমির অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন,
ইসলামী ঐক্যজোটের জেলাসভাপতিইঞ্জিনিয়ার
শামসুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবদিন চাঁন প্রমুখ। সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারি অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, সহসভাপতিসেলিমুজ্জামান
সেলিম, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সরাফত আলী সফু, ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব আহসান, বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট একেএম হাফিজুর রহমান এমপি, মোস্তফা আলী মুকুল এমপি,
বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শাহ আলম, সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, পৌর মেয়র মাহবুবুর রহমানসহ ১৮ দলীয় নেতৃবৃন্দ। জয়পুরহাটের
পাঁচবিবিতেসমাবেশেসভাপতিত্ব
করেন মোজাহার আলী প্রধান।